Madhyamik Physical Science Suggestion 2027 (Wbbse Class 10)(পরিবেশের জন্য ভাবনা)
Madhyamik Physical Science Suggestion (WBBSE Class 10)
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য দশম শ্রেণির ভৌতবিজ্ঞান বিষয়ের প্রথম অধ্যায় "পরিবেশের জন্য ভাবনা"-র সম্পূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলি এবং উত্তর নিচে দেওয়া হলো।
দশম ভৌতবিজ্ঞান: প্রথম অধ্যায় — পরিবেশের জন্য ভাবনা
মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভৌতবিজ্ঞানে ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য প্রতিটি অধ্যায়ের মৌলিক ধারণা পরিষ্কার রাখা জরুরি। বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর, ওজোন স্তরের ক্ষয়, গ্রিনহাউস প্রভাব ও বিশ্ব উষ্ণায়ন, এবং বিভিন্ন বিকল্প ও পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে সংকলন করা হয়েছে।
সেরা প্রস্তুতি নির্দেশিকা: এই অধ্যায় থেকে বহু বিকল্পভিত্তিক (MCQ), অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, ২ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন এবং ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রস্তুত করুন।
প্রথম অধ্যায় — পরিবেশের জন্য ভাবনা
১. পৃথিবী প্রতিদিন গড়ে 1.4 kW/m² সৌরশক্তি গ্রহণ করে।
২. পশ্চিমবঙ্গের বক্রেশ্বর ভূসাগরীয় শক্তিতে সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল।
৩. ত্বকে ক্যানসার হয় ওজোন স্তর ক্ষয়ের ফলে।
৪. প্রতি অণু মিথেনের তাপ আটকে রাখার ক্ষমতা প্রতি অণু CO₂-এর তুলনায় প্রায় 25 গুণ বেশি।
১. অসময়ে চোখে ছানি পড়ে কালো রশ্মির প্রভাবে। — মিথ্যা
২. বিশুদ্ধ শুষ্ক বাতাসে (CO₂)-এর পরিমাণ প্রায় 0.032%। — সত্য
৩. C.F.C-এর পুরো নাম হল ক্লোরেফিল কার্বন। — মিথ্যা
৪. বায়োডিজেল উদ্ভিজ্জ তেল থেকে তৈরি করা হয়। — সত্য
| 'অ' স্তম্ভ | 'আ' স্তম্ভ |
|---|---|
| 1. নাইট্রোজেন | (d) গ্রিন হাউস গ্যাস নয় |
| 2. জলীয় বাষ্প | (c) গ্রিন হাউস গ্যাস |
| 3. C.F.C. | (a) ওজোন স্তর ছিদ্রের জন্য দায়ী |
| 4. পরিচলন স্রোত | (b) সমুদ্রবায়ু |
| 'অ' স্তম্ভ | 'আ' স্তম্ভ |
|---|---|
| 1. জেট প্লেন চলাচল করে | (c) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার |
| 2. ক্ষুব্ধ মণ্ডল | (a) ট্রপোস্ফিয়ার |
| 3. বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় | (d) আয়নোস্ফিয়ার |
| 4. আয়নোস্ফিয়ারের পরের স্তরটি হল | (b) এক্সোস্ফিয়ার |
উত্তর: বায়ুমণ্ডলের যেসব গ্যাসীয় পদার্থ উত্তপ্ত পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যবিশিষ্ট অবলোহিত রশ্মির কিছু অংশ শোষণ করে এবং অবশিষ্টাংশ পুনরায় পৃথিবীপৃষ্ঠে প্রতিফলিত করে ভূপৃষ্ঠ ও তার সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত রাখে, তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস বলে।
উদাহরণ: কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₄), ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC), ওজোন (O₃), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), জলীয় বাষ্প (H₂O) ইত্যাদি।
উত্তর: মিথেন হাইড্রেট হলো কেলাসাকার কঠিন বরফ যেখানে মিথেন অণুগুলি জলের অণু দ্বারা সৃষ্ট কেলাস গঠনের মধ্যে আবদ্ধ অবস্থায় থাকে। এর সংকেত 4CH₄·23H₂O। উপযুক্ত উষ্ণতা এবং চাপেই কেবল এর অস্তিত্ব বজায় থাকে।
মিথেন হাইড্রেট থেকে মিথেন গ্যাস আহরণ খুব সহজ নয়। তবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপান মিথেন হাইড্রেট থেকে মিথেন গ্যাস উত্তোলনে কিছুটা সাফল্য অর্জন করেছে।
উত্তর: থার্মোস্ফিয়ারের অন্তর্গত আয়নোস্ফিয়ারে (80–400 কিমি) থাকা অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন গ্যাসের অণুগুলি সূর্য থেকে বিচ্ছুরিত উচ্চ শক্তিসম্পন্ন গামা রশ্মি এবং X-রশ্মির প্রভাবে আয়নিত হয় (O⁺, N₂⁺, O₂⁺) এবং সেই সঙ্গে অসংখ্য মুক্ত ইলেকট্রনও উৎপন্ন হয়। এই মুক্ত ইলেকট্রনগুলি আবার অন্য আয়নগুলি দ্বারা গৃহীত হওয়ার সময় আলোকরশ্মি বিকিরণ করে। একেই মেরুজ্যোতি বলে।
উত্তর মেরুতে সৃষ্ট মেরুজ্যোতিকে সুমেরু প্রভা এবং দক্ষিণ মেরুতে সৃষ্ট মেরুজ্যোতিকে কুমেরু প্রভা বলে।
উত্তর: বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের অন্তর্গত ওজোনস্তরকে 'ওজোন ছত্র' বলে। ছাতা যেমন রোদ-বৃষ্টি থেকে আমাদের রক্ষা করে, ওজোনস্তর তেমন সূর্য থেকে আগত ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মির পৃথিবীতে আগমনকে প্রতিরোধ করে। তাই ওজোনস্তরকে 'ওজোন ছত্র' বলা হয়।
উত্তর: মানুষের কিছু ক্রিয়াকলাপের ফলে ওজোন তৈরির হার অপেক্ষা বিয়োজনের হার অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের অন্তর্গত ওজোনস্তরটি প্রায় সর্বত্র কমবেশি পাতলা হয়ে যাচ্ছে। ওজোনস্তরের এই পাতলা হওয়ার ঘটনাকে ওজোনস্তরের ক্ষয় বা ওজোন ছিদ্র বা ওজোন গহ্বর (Ozone Hole) বলে।
উত্তর: যে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার সাহায্যে বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত কয়েকটি গ্যাসীয় পদার্থ (যেমন—CO₂, CH₄, CFC, N₂O, O₃ ইত্যাদি) পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপের একাংশকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে না দিয়ে ভূপৃষ্ঠ ও তৎসংলগ্ন বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত রাখে এবং ফলস্বরূপ পৃথিবীতে জীবকুলের বেঁচে থাকার পক্ষে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রিনহাউস প্রভাব বলে।
উত্তর: বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত CO₂, জলীয় বাষ্প ইত্যাদি গ্রিনহাউস গ্যাস পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে অবলোহিত রশ্মিরূপে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে বিলীন হতে না দিয়ে, ভূপৃষ্ঠ ও তার সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলকে এমন এক উষ্ণতা সীমার মধ্যে (গড়মান ≈ 15°C) উত্তপ্ত রাখে, যা মানুষসহ সমগ্র জীবজগতের বেঁচে থাকার পক্ষে অনুকূল। বায়ুমণ্ডলে যদি গ্রিনহাউস গ্যাসগুলি না থাকত, অর্থাৎ গ্রিনহাউস প্রভাব না ঘটত, তাহলে পৃথিবীপৃষ্ঠ ও সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলের গড় উষ্ণতা হতো প্রায় -30°C। এই উষ্ণতায় পৃথিবীপৃষ্ঠে জীবজগতের কোনো অস্তিত্বই থাকত না।
উত্তর: বিজ্ঞাননির্ভর আধুনিক জীবনযাত্রায় মানুষের নানাবিধ ক্রিয়াকলাপের ফলে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির পরিমাণ ক্রমশ বেড়ে চলেছে। এর প্রভাবে পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ক্রমশ গরম হয়ে উঠেছে এবং সারা বিশ্বজুড়ে ক্রমাগত উষ্ণতা বৃদ্ধির এই ঘটনাকে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলে।
উত্তর: জীবাশ্ম হলো প্রাকৃতিক উপায়ে মাটি বা পাথরের অভ্যন্তরে সঞ্চিত অতি প্রাচীনকালের উদ্ভিদ বা প্রাণীর দেহাবশেষ। ভূগর্ভে প্রচণ্ড তাপ, চাপ ও ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে জীবাশ্মগুলি থেকে সৃষ্টি হয়েছে কয়লা, খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো জ্বালানি। এগুলিকে বলা হয় 'জীবাশ্ম জ্বালানি'। জীবাশ্ম জ্বালানিগুলি হলো প্রচলিত শক্তির উৎস এবং এরা অনবীকরণযোগ্য।
উত্তর: যে উন্নয়ন ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট না করেও দেশ ও দশের মঙ্গল করা যায়, তাকে স্থিতিশীল উন্নয়ন বলে। দারিদ্র্য, অশিক্ষা, বুভুক্ষা প্রভৃতি আর্থ-সামাজিক অভিশাপ থেকে মানুষকে মুক্ত করাই এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য।
উত্তর: যে সব ব্যাকটেরিয়া বায়ুর অনুপস্থিতিতে বায়োমাস-এর বিয়োজন ঘটিয়ে প্রকৃতিতে মিথেন গ্যাস মুক্ত করে তাদের মিথানোজেনিক ব্যাকটেরিয়া বলে।
উদাহরণ: মিথানোকক্কাস, মিথানোব্যাকটেরিয়াম ইত্যাদি।
উত্তর: বায়োমাস থেকে যে জ্বালানি উৎপন্ন হয়, তাকে বায়োফুয়েল বলা হয়।
উদাহরণ: আখ বা ভুট্টা থেকে সন্ধান প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বায়োইথানল একটি বায়োফুয়েল যাকে গ্যাসোলিনের (পেট্রোলের) সাথে মিশিয়ে যানবাহন চালানোর কাজে ব্যবহার করা হয়।
উত্তর: মৃত প্রাণী ও উদ্ভিদের দেহাবশেষ থেকে প্রাপ্ত জৈব অবশেষকে বায়োমাস বলে।
বায়োমাস শক্তি হলো জৈব অবশেষ থেকে বিশেষ জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় বায়ুর অনুপস্থিতিতে অবায়ুজীবি ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা বিয়োজনের মাধ্যমে জ্বালানি বা বিদ্যুতের উৎসরূপে উৎপন্ন করা দাহ্য মিথেন গ্যাস।
উত্তর: সূর্য এক বিপুল শক্তির আধার। প্রতি ঘণ্টায় সারা পৃথিবীতে যে পরিমাণ সূর্যরশ্মি পৌঁছায়, তাকে শক্তিতে রূপান্তরিত করলে যে তাপশক্তি পাওয়া যাবে তা 21 × 10¹² টন কয়লার সমান। সৌরশক্তি পুনর্ভব, প্রবহমান ও সর্বব্যাপ্ত। সূর্যের অসীম শক্তিকে পরিপূর্ণভাবে বিদ্যুতে রূপান্তরিত করার কারিগরি জ্ঞান মানুষ যেদিন পুরোপুরি আয়ত্ত করতে পারবে সেদিন পৃথিবীতে জ্বালানির আর কোনো সমস্যাই থাকবে না। তাই সৌরশক্তিকে চিরাচরিত শক্তির বিকল্পরূপে ভাবা হচ্ছে।
উত্তর: জীবাশ্ম জ্বালানি সংরক্ষণ করা বিশেষ প্রয়োজন, কারণ—
(i) জীবাশ্ম জ্বালানির যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে এর ভাণ্ডার ক্রমেই ফুরিয়ে আসছে। জীবাশ্ম জ্বালানি তৈরি হতে ভূগর্ভে কোটি কোটি বছর সময় লাগে, তাই যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করলে অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীর সমস্ত জীবাশ্ম জ্বালানি (যেমন—কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি) নিঃশেষিত হবে। যেহেতু মানব সভ্যতার উন্নয়নের প্রতিটি পদক্ষেপ এই শক্তি উৎস ব্যতিরেকে অসম্ভব, তাই জীবাশ্ম জ্বালানির সংরক্ষণ অতি প্রয়োজন।
(ii) জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যবহার কমালে তার দহনে উৎপন্ন CO₂ গ্যাসের পরিমাণও বাতাসে কম হবে ফলে বায়ুদূষণ কম ঘটবে।
(iii) জীবাশ্ম জ্বালানির উৎসগুলি পুনর্নবীকরণযোগ্য নয়।
(iv) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত করলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ হ্রাস পাবে, ফলে বিশ্ব উষ্ণায়নের মাত্রা কমবে।
উত্তর: সৌরশক্তি ব্যবহারের সুবিধাগুলি নিম্নরূপ—
(i) সৌরশক্তি প্রবহমান ও অফুরন্ত, নিঃশেষ হবার সম্ভাবনা নেই, তাই ইচ্ছেমতো ব্যবহার করা যেতে পারে। বিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীর ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা সৌরশক্তির সাহায্যে পূরণ করা সম্ভব হবে।
(ii) সৌরশক্তি ব্যবহারে পরিবেশ দূষিত হয় না। জীবাশ্ম জ্বালানিগুলি থেকে শক্তি উৎপাদনের সময় কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড ইত্যাদি নির্গত হয় যা বিশ্বব্যাপী উষ্ণায়নের মূল কারণ। তাই সৌরশক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে সাথে পরিবেশের সংরক্ষণ ও ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে।
(iii) সৌরপ্যানেল ও ব্যাটারির সাহায্যে অতি সাধারণ পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়, ফলে ব্যবহার করতে সুবিধা হয়।
(iv) প্রত্যন্ত পাহাড়ি বা দুর্গম অঞ্চলে, কম মূলধনে ঝুঁকিহীনভাবে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
উত্তর: বায়োমাস থেকে উৎপন্ন জ্বালানিকে বায়োফুয়েল বলা হয়। বায়োফুয়েল তিন প্রকার, যথা— (i) কঠিন বায়োফুয়েল, (ii) তরল বায়োফুয়েল এবং (iii) গ্যাসীয় বায়োফুয়েল।
(i) কঠিন বায়োফুয়েল: কাঠ, বাঁশ, খড়, গৃহস্থালির আবর্জনা প্রভৃতি কঠিন বায়োফুয়েলের উদাহরণ। এগুলি মূলত গ্রামীণ এলাকায় রান্নার কাজে জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
(ii) তরল বায়োফুয়েল: বায়োইথানল (ভুট্টা ও আখের ছিবড়ার সন্ধান প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন) ও বায়োডিজেল (উদ্ভিজ্জ তেল ও ফ্যাটের ট্রান্স-এস্টারিফিকেশনে উৎপন্ন) তরল বায়োফুয়েলের উদাহরণ। বায়োইথানল সরাসরি গাড়ির জ্বালানিরূপে অথবা পেট্রোলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়। বায়োডিজেল মূলত শীতপ্রধান দেশে ঘর গরম রাখতে ব্যবহৃত হয়।
(iii) গ্যাসীয় বায়োফুয়েল: গোবর গ্যাস গ্যাসীয় বায়োফুয়েলের উদাহরণ। এটি মূলত জ্বালানিরূপে ও আলো উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়। বায়োগ্যাসের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনও করা হয়।
উত্তর: ভূ-তাপশক্তি ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধাগুলি নিম্নরূপ—
| সুবিধা | অসুবিধা |
|---|---|
| (i) ভূ-তাপশক্তির জোগান অফুরন্ত। | (i) ভূ-তাপশক্তি উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। |
| (ii) এই শক্তির জোগান অবাধ ও নিরবচ্ছিন্ন অর্থাৎ এই শক্তি ২৪ ঘণ্টা ধরে সরবরাহ করা সম্ভব। | (ii) ভূগর্ভ থেকে উষ্ণজলের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ভূপৃষ্ঠে চলে আসে; এটি নিয়ন্ত্রণে যে প্রযুক্তি ও নিরন্তর গবেষণা দরকার, তা বেশিরভাগ দেশেই সহজলভ্য নয়। |
| (iii) এই শক্তি সরাসরি ব্যবহার করলে গ্রিনহাউস গ্যাস পরিবেশে নির্গত হয় না, ফলে পরিবেশ দূষিত হয় না। | (iii) উৎপাদন ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম বলে সীমিত ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য। |